খুলনার পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শেখ সেকেন্দার আলীকে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় থানায় জিডি ও রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে জরুরি সভা অনুষ্টিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) পাইকগাছা থানায় হাজির হয়ে জানমালের ক্ষতি হতে পারে আশঙ্কায় তিনি এই জিডি করেন, যার নং ১৫২৩।
জিডি সূত্রে জানা গেছে, পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাংবাদিক শেখ সেকেন্দার আলী মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) খুলনা থেকে তার স্ত্রীকে ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে আনুমানিক রাত ৮টার দিকে উপজেলার কপিলমুনি ইউপির তালতলা খাল নামক স্থানে পৌঁছালে সেখানে আগে থেকেই ওঁত পেতে থাকা তিনজন দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে। এ সময় দুর্বৃত্তদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করার চেষ্টা করা হয়। হামলায় তিনি মোটরসাইকেল ফেলে দিয়ে মাটিতে পরে যান। জীবন বাঁচাতে সাথে থাকা তার স্ত্রীর চিৎকারে পেছন দিক থেকে একটি মোটরসাইকেল আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় অনুষ্ঠিত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির জরুরি সভায় সভাপতি শেখ সেকেন্দার আলী বলেন, “সম্প্রতি দুর্নীতির বিরুদ্ধে একাধিক সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশ করায় আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল, কিন্তু দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ অব্যাহত থাকায় আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালাতে পারে বলে মনে করছি।”
উক্ত জরুরি সভায় ইউনিটির সকল সদস্যরা অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। জরুরি আলোচনা সভায় ইউনিটির সভাপতির উপর এমন নেক্কারজন ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি মো. আসাদুল ইসলাম আসাদ, সাধারণ সম্পাদক মো. ফসিয়ার রহমান, সিনিয়র নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক জিএম মিজানুর রহমান মিজান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউদ্দিন নায়েব, কোষাধ্যক্ষ মো. ফিরোজ আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক মো. মানছুর রহমান জাহিদ, নির্বাহী সদস্য জহুরুল হক, হাফিজুর রহমান রিন্টু।
এছাড়াও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আনোয়ারুল ইসলাম, রাবিদ মাহমুদ চঞ্চল, মাজহারুল ইসলাম মিথুন, শাফিয়ার রহমান, কাজী সোহাগসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সবজেল হোসেন জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।